♦️আজহারে পড়তে আসার পথ পদ্ধতিসমূহ-
(বাংলাদেশী স্টুডেন্টদের জন্য) স্কলারশিপ নিয়ে অধ্যয়ন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নিচে উপস্হাপন করা হলো৷
আল-আযহার ইউনিভার্সিটিতে ২ভাবে পড়তে আসা যায়৷
১| বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে স্কলারশিপ নিয়ে সরাসরি মিসরে আসা৷
যেটি এখন প্রায় বন্ধ বললেই চলে; কেননা এটা ফেয়ার হয়না আর লাষ্ট বছর থেকে মিশরে যারা প্রাইভেট মাধ্যমে গিয়ে ভর্তি হয়েছে তাদের মধ্যথেকে প্রায় ৫০ জনকে স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে। এমনটা হতে পারে যে দেশ থেকে স্কলারশিপ দেওয়ার সুযোগটি পুরোপুরি বন্ধ করে দিবে। আমাদের অনেকেরই দাবি ছিল মিশরে অবস্থানরতদে স্কলারশিপের সংখ্যা বৃদ্ধি করার
২| প্রথমে নিজ খরচে(প্রাইভেট মাধ্যমে) আল আযহার ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়ে তারপর স্কলারশিপের জন্য আবেদন করা৷ এটাই এখন সবচেয়ে প্রচলিত সহজ এবং যে কেউ যেতে পারে।
▪️ অনার্সের জন্য নির্ধারিত ১২টি স্কলারশিপ দিত দেশ থেকে, এ বছর সার্কুলার হওয়ার কথা ছিল আরো আগেই, এ বছর মিশর থেকে দিয়ে দিছে
__________________________________________
Al-Azhar University তে নিজ খরচে আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সমূহ:-
1️⃣ (দাখিল + আলিমের সার্টিফিকেট ) + আরবি আনুবাদ কপি ।
2️⃣ (দাখিল + আলিমের মার্কশিট ) + আরবি আনুবাদ কপি
3️⃣পাসপোর্ট + পাসপোর্টের আরবি আনুবাদ কপি
4️⃣জন্মসনদ + জন্মসনদের আরবি আনুবাদ কপি
5️⃣ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট।
__________________________________________
🕹️যে কোন স্টুডেন্ট মিসরে আসার পর ভর্তির জন্য তার করণীয় সমুহ:-
1️⃣বাংলাদেশি এ্যাম্বাসি থেকে (মিসরে অবস্হানরত) আল আযহারে ভর্তির জন্য একটি লেটার নিতে হবে
2️⃣ এ্যাম্বাসি থেকে একটি জন্ম সনদ নিতে হবে৷
3️⃣ যাবতীয় শিক্ষা সনদগুলো এ্যাম্বাসি থেকে সত্যায়িত করাতে হবে৷ (তবে শর্ত হলো আমাদের দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয় থেকে সত্যায়িত থাকতে হবে৷ নতুবা এ্যাম্বাসি তা সত্যায়ন করবে না)৷
4️⃣ এ্যাম্বাসি থেকে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসগুলো সত্যায়িত করার পর মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয় থেকে সেগুলো সত্যায়িত করাতে হবে৷
5️⃣তারপর এই সকল ডকুমেন্টসগুলো নিয়ে মুরাকাবায় ((شؤون الطلاب الوافدين গিয়ে আমাদের দাখিল + আলিম (সার্টিফিক+ মার্কসিটের সমমান) নিতে হবে৷
6️⃣অতঃপর তানসিকে ( مكتب التنسيق ) গিয়ে আল আযহারে ভর্তির জন্য ফরম সংগ্রহ করতে হবে৷ 7️⃣ফরমগুলো সুন্দর ও নির্ভুলভাবে পূরণ করার পর তা তিন সেট করে ফটোকপি করতে হবে৷
8️⃣অতঃপর ফরম জমা দিয়ে ভর্তি কনফার্ম করতে হবে৷
9️⃣ভর্তি ফরম ক্রয় বাবদ ২৮৬ পাউন্ড ব্যাংকে জমা দিতে হবে৷
🔟 ভর্তি হবার পর মারকাজে ভাষা কোর্সের মুস্তাওয়া পরীক্ষায় অংশগ্রহনের জন্য আবেদন করতে হবে৷
__________________________________________
📚 পূর্বে মারকাজের মাসিক টিউশন ফি লাগতো, মার্কাজে শেখ জায়েদ ছিল আজহার অনুমোদিত। এখন আজহার নিজেদের মার্কাজ করেছে যেখানে কোন টাকা লাগে না।
পূরে বাংলাদেশ থেকে কোন স্টুডেন্ট যদি নিজ খরচে আল আযহার ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নের জন্য আসত, তাহলে প্রথমে অনার্সে ভর্তি হবার পর মারকাজে অধ্যয়নের সময় (প্রায় ৬/৮ মাস পর্যন্ত) প্রতি মাসে বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৩৫০০ টাকা করে বেতন দিতে হত।
💵 মাসিক খরচ (আনুমানিক)
মিসরে আবস্হানরত স্টুডেন্টদের জন্য প্রতি মাসে থাকা + খাওয়া+ যাতায়েত ভাড়াসহ সর্বমোট প্রায় ১৫০ ডলার ( প্রায় ১০/১২ হাজার বাংলাদেশী টাকা ) খরচ বহন করা লাগবে৷
__________________________________________
🎁 মিসরে আবস্হানরত স্টুডেন্টদের জন্য আল আযহারে স্কলারশিপ পাওয়ার সম্ভাবনা ৷
অনার্সে ক্লাস শুরু হওয়ার পর প্রথম বর্ষে ভালো রেজাল্ট করতে পারলে (جيد جدا / ممتاز) পেলে যে কোন স্টুডেন্টদে স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবে৷
#বি:#দ্র:- কেহ যদি মনে করেন যে আমি মিসরে গিয়ে কাজ করে টাকা উপার্জন করার মাধ্যমে নিজের খরচে নিজেই বহন করবো/ করতে পারবো৷ তাহলে আমি তাকে মিসরে না আসার জন্যই বিশেষভাবে অনুরোধ করবো৷ কারন এমতাবস্হায় তার জন্য অনেক কষ্টকর হবে৷ অতঃপর কিছু দিন পর থেকেই তার জন্য মিসরে থাকতে আর ভালো লাগবে না৷
🎁 প্রতি বছর আল-আযহার ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে বাংলাদেশি স্টুডেন্টসদের জন্য(অনার্সের জন্য)১২টি স্কলারশিপ দেওয়া হয়৷ এবং তা বাংলাদেশ শিক্ষা-মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইটে বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হয়৷
_________________________________________
▪️ অনলাইনে আবেদনের নিয়মাবলি।
প্রথমে অনলাইনে শিক্ষা-মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইটে স্কলারশিপের জন্য প্রাথমাক আবেদন ফরম ফিলাপ করতে হয়৷ অতঃপর আবেদনের সময় দাখিল করা সেই ডকুমেন্টসগুলো ফাইল আকারে তিন সেট করে শিক্ষা-মন্ত্রনালয়ের (09) নয় নং কাউন্টারে জমা দিতে হয়৷
▪️ প্রথমিকভাবে নির্বাচিতদের নামের তালিকা প্রকাশ।
আবেদনের নির্ধারিত তারিখ শেষ হওয়ার পর থেকে নিয়ে পরবর্তি ১৫ দিনের মধ্যে ভাইবা পরীক্ষার জন্য প্রথমিকভাবে নির্বাচিতদের নামের তালিকা শিক্ষা-মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করা হয়৷
▪️ চূড়ান্তভাবে রেজাল্ট প্রকাশ।
ভাইবা পরীক্ষার গ্রহনের পর থেকে নিয়ে আনুমানিক ১৫ দিনের মধ্যে চূড়ান্তভাবে স্কলারশিপপ্রাপ্ত স্টুডেন্টসদের নামের তালিকা শিক্ষা-মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করা হয়৷
__________________________________________
📠 স্কলারশিপের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের পরবর্তি কাজ সমুহ:
যখন চূড়ান্তভাবে স্কলারশিপপ্রাপ্ত স্টুডেন্টসদের নামের তালিকা শিক্ষা-মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করা হয়৷ তখন এ্যাম্বাসিতে গিয়ে প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট জমা দিতে হবে৷
তারপর মিসর থেকে রাষ্ট্রীয় অনুমোদন ( /الموافقة الأمنية আল মুয়াফাকাতুল আমনিয়্যাহ) আসার আগ পর্যন্ত ভিসার জন্য অপেক্ষা করতে হবে৷ মুয়াফাকাতুল আমনিয়্যাহ আসলে ছাত্রদেরকে এ্যাম্বাসিতে থেকে ভিসার ও টিকেট গ্রহন করার জন্য ফোন দিবে।
_________________________________________
Al-Azhar University তে স্কলারশিপের আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সমূহ:-
০১- অ্যারাবিক ল্যাংগুয়েজ প্রফিসিয়েন্সি সার্টিফিকেট।
০২- (দাখিল + আলিমের সার্টিফিকেট ) + আরবি আনুবাদ কপি ।
০৩- (দাখিল + আলিমের মার্কশিট ) + আরবি আনুবাদ কপি
০৪- জন্মসনদ + জন্মসনদের আরবি আনুবাদ কপি
০৫- পাসপোর্ট + পাসপোর্টের আরবি আনুবাদ কপি
০৬- রিসেন্ট পাসপোর্ট সাইজ ছবি ৬ কপি।
০৭- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
০৮- মেডিকেল সার্টিফিকেট
০৯- PCR negative সার্টিফিকেট
বি:দ্র:- প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসগুলো পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয় থেকে সত্যায়িত করাতে হবে৷
🖥️🕹️ স্কলারশিপের আবেদনের সময়:-
প্রতি বছর বাংলাদেশী স্টুডেন্টদের জন্য আল-আযহার ইউনিভার্সিটির পক্ষ্য থেকে স্কলারশিপের এই বিজ্ঞপ্তিটি (সাধারনত মে/জুন বা জুলাই মাসে ) বাংলাদেশে আবস্হিত মিসর এ্যাম্বাসির মাধ্যমে বাংলাদেশ শিক্ষামন্ত্রনালেয় ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়৷
__________________________________________
🕹️ আল আযহার ইউনিভার্সিটির স্কলারশিপের আবেদন করতে পারবেন যারা।
আমাদের দেশের যেসকল স্টুডেন্টরা (দাখিল+আলিম) পাস করেছেন এবং মিসরে এসে অনার্স করতে আগ্রহী তারা সকলেই এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন৷
🕹️ মিসরের (সানুবিয়্যাহ) সার্টিফিকেট = (দাখিল+আলিম ) সার্টিফিকেটের সমমান৷
আমাদের দেশের (দাখিল+আলিমের সার্টিফিকেট) মিসরের সানুবিয়্যাহ (তথা আলিম) এর সমমান দেওয়া আছে৷ তাই দেশ থেকে স্টুডেন্টরা এসে সরাসরি অনার্সে ভর্তি হতে পারবে৷
📚 আল-আযহার ইউনিভার্সিটিতে সরাসরি অনার্সে ভর্তি হবার পর সকলকে এক বছরের জন্য আরবী ভাষা কোর্স করতে হয়৷ তারপর অনার্সের ক্লাস শুরু করতে হয়৷
__________________________________________
💵 স্কলারশিপের সুযোগ-সুবিধা সমুহ:-
যারা আল আযহার ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে স্কলারশিপ অর্জন করেন তাদের জন্য ভার্সিটির পক্ষ্য থেকে নিম্নের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়া৷
১- মিসরে আসার জন্য (ভিসা+টিকেট) ফ্রি ৷
২- পড়া-লেখার (টিউশন ফি) সম্পূর্ণ ফ্রি ৷
৩- থাকা -খাওয়া সম্পূর্ণ ফ্রি ৷
৪- চিকিৎসা (মেডিকেল+ঔষধ) সম্পূর্ণ ফ্রি ৷
৫- ভার্সিটির কিতাব ক্রয়বাবদ টাকা প্রদান ৷
৬- মাসিক স্কলারশিপ হোস্টেলের ভিতরে থাকলে ১০০০ পাউন্ড৷ বাহিরে থাকলে ১৫০০ পাউন্ড ৷
৭- প্রতি দুই বছর পর পর ভার্সিটি থেকে বাংলাদেশে যাতায়েতের টিকিট প্রদান৷
৮- বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের সুযোগ প্রদান ৷
বি:দ্র:- স্কলারশিপপ্রাপ্ত স্টুডেন্টসদের আরবী ভাষা কোর্স করতে কোন টাকা পেমেন্ট করতে হয় না
বাংলাদেশী স্টুডেন্টদের জন্য আল-আযহার ইউনিভার্সিটিতে নিজ খরচে অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে । সে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নিচে উপস্হাপন করা হলো৷
تقبل اللٌٰه منا ومنكم لخدمة الإسلام والمسلمين. اللٌٰهم آمين
ওহে আল্লাহ। তুমি আমাদের সকলকে ইসলামের একনিষ্ঠ খাদেম হিসেবে কবুল করুন। আমিন
♦️আল - আজহারে নিজ খরচে লেখাপড়া -
মদিনাতুল ইলম খ্যাত ঐতিহাসিক আল আজহার ইউনিভার্সিটিতে নিজ খরচে গ্র্যাজুয়েশন বা পোস্টগ্র্যাজুয়েশন সম্পর্কে কিছু প্রশ্নের উত্তর দিবো!
এই পোস্টে বিভিন্ন খরচ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা দেওয়া হবে।
▪️প্রথমে বলে রাখি, আল আজহারে যারা নিজ খরচে লেখাপড়া করে তারাও মূলত বলা যায় একটা স্কলারশিপের আওতায় থাকেন, কেননা কাউকে টিউশন ফি দিতে হয়না। বিদেশী ছাত্রদের জন্য কোন টিউশন ফি নেই।
শুধু মাত্র আপনার থাকা - খাওয়া বাবদ যেটা খরচ হবে সেটা বহন করবেন। আর খরচের পরিমাণ টাও খুব বেশি নয়, ঢাকা শহরে চলাচলের জন্য আপনার যেমন খরচ হয় ঠিক তেমন। মান্থলি এভারেজ ৮/১০ হাজার টাকা হলে ভালোভাবে থাকা যায়
মিশরে আসার পর:
▪️ প্রথম বছর যেহেতু যাদের মোয়াদালা(আলিয়ার) সার্টিফিকেট আছে তারা কাগজপত্র জমা দিয়ে ভাষা ইনিষ্টিটিউডে পড়া শুরু করবে। সর্বনিম্ন ৩ থেকে সর্বোচ্ছ ১০ মাস লাগে; যে ভালো আরবি পারে তার কম লাগে সময়। যদিও এখন মোয়াদালা নতুন করে রিনিউ করা হয় নি তাই এখন যারা যাবে কওমী/আলিয়া সবারই ভর্তির সিষ্টেম একই। কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর একটি মান যাচাই পরিক্ষার মাধ্যমে ক্লাস নির্ধারিত হবে।
▪️প্রথমে কোথাও নতুন গেলে অনেক কিছু কিনতে হয় এজন্য প্রথম কয়েকমাস একটু খরচ বেশি হয়। এবং প্রথম বছরও হয়তো টুকটাক কিছু বেশি খরচ হয়, অনার্স লেভেল শুরু হলে খরচের পরিমাণটাও কমে আসবে।
▪️ ভাষা কোর্স বা মাহাদ শেষ করে অনার্সের চারবছর সহ ৫ বছরে যদি কেউ তার প্রয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে তবে শেষপর্যন্ত স্কলারশিপ না পেলেও ৫/৬লাখ টাকার মধ্যে গ্ৰ্যাজুয়েশন করে আসতে পারবে।
▪️ বাংলাদেশে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে অনার্স শেষ করতে টিউশন ফি, থাকা-খাওয়া, হাত খরচ সহ কমপক্ষে ৭/৮ লাখ টাকা লাগবে, যেখানে আজহারে যদি আপনি ৫ বছরও স্কলারশিপ না পান তবু প্রয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে ৫/৬ লাখ টাকার মধ্যে শেষ করে আসতে পারবে।
▪️ বাংলাদেশে পড়াশোনার মানের কি অবস্থা সেটা সবাই জানেন! আজহারের পড়াশোনার পরিবেশের সাথে সেটা তুলনা করাটা বোকামি।
▪️ তাছাড়া সবারই স্কলারশিপ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে এবং ভালো রেজাল্ট করলে নির্ধারিত মার্কস উঠাতে পারলে ফুল স্কলারশিপ হওয়ারও সুযোগ আছে। তাছাড়া বিদেশি ছাত্রদের আজহার অনেক সুযোগ-সুবিধা দেয়।
▪️মিশরে এখনও দারস কেন্দ্রিক পড়াশোনা আছে, ভার্সিটির বাহিরেও প্রায় মসজিদেই মিশরের বড় বড় শায়েখরা বিনামূল্যে ভিবিন্ন কিতাব পড়ায়। যার মাধ্যমে কোরআন, হাদিস বুঝতে যে সকল কিতাব আর বিষয়াদি জানা দরকার তা কেউ কষ্ট করে গিয়ে বসলেই অর্জন করতে পারে, যার মাধ্যমে কোরআন হাদিসের সঠিক জ্ঞান অর্জনের পথ সহজ হয়।
আজহারের ফুল স্কলারশিপের সুযোগ-সুবিধা হলো, থাকা-খাওয়া ফ্রি, মান্থলি ষ্টাইপেন্ড সহ বাকি সব ফি মওকুফ। একটাকাও লাগে না বরং কারো হাত ছোট হলে টাকা অনেক জমাইতেও পারে
||সঠিক জানুন প্রতারণা থেকে বাঁচুন||
🍁নিজের টাকায় পড়লে দেশে'ই প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়তে পারি, আজহারে কেন যাবো-
আপনি আজহারে যাবেন না কি করবেন সম্পুর্ন আপনার ইচ্ছাধীন। অনেকেই এ প্রশ্নটি করেছেন, তাদের জন্য লিখার ইচ্ছা করেছি।
▪️ বাংলাদেশে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে অনার্স শেষ করতে টিউশন ফি, থাকা-খাওয়া, হাত খরচ সহ কমপক্ষে ৭/৮ লাখ টাকা লাগবে, যেখানে আজহারে যদি আপনি ৫ বছরও স্কলারশিপ না পান তবু প্রয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে ৫/৬ লাখ টাকার মধ্যে শেষ করে আসতে পারবে।
▪️ আজহারের কোন টিউশন ফি নেই- সেই হিসেবে প্রত্যেকেই একটি স্কলারশিপের আওতায় থাকে।
▪️ বাংলাদেশে পড়াশোনার মানের কি অবস্থা সেটা সবাই জানেন! আজহারের পড়াশোনার পরিবেশের সাথে সেটা তুলনা করাটা বোকামি।
▪️ তাছাড়া সবারই স্কলারশিপ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে এবং ভালো রেজাল্ট করলে নির্ধারিত মার্কস উঠাতে পারলে ফুল স্কলারশিপ হওয়ারও সুযোগ আছে। তাছাড়া বিদেশি ছাত্রদের আজহার অনেক সুযোগ-সুবিধা দেয়।
আজহারের ফুল স্কলারশিপের সুযোগ-সুবিধা হলো, থাকা-খাওয়া ফ্রি, মান্থলি ষ্টাইপেন্ড সহ বাকি সব ফি মওকুফ। একটাকাও লাগে না বরং কারো হাত ছোট হলে টাকা অনেক জমাইতেও পারে
||সঠিক জানুন প্রতারণা থেকে বাঁচুন||
♦️প্রাইভেটভাবে যারা আসতে চান তাদের আবেদন এবং আসার প্রসেস করতে যে সব কাগজপত্র প্রয়োজন:-
১| পাসপোর্ট
২| ছবি
৩| টাকা
আল আজহার ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে যেসব ডকুমেন্টস প্রয়োজন :
১। দাখিল ও আলিমের মূল সার্টিফিকেট এবং মার্কসিট, কওমী ভাইদের সার্টিফিকেট সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আসবেন।
এগুলো অনুবাদ করার পরে প্রথমে নোটারি এরপর শিক্ষা বোর্ড, ইসলামী ফাউন্ডেশন এরপর শিক্ষা মন্ত্রাণালয় ,ও সর্বশেষ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করতে হবে।
২। জন্ম নিবন্ধন : এটার অনলাইন ভেরিফাইড কপি নিজ নিজ উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সংগ্রহ করতে হবে। বাংলা ও ইংরেজি উভয় টাই সংগ্রহ করবেন। এরপর এটা আরবিতে অনুবাদ ও নোটারি করার পরে প্রথমে ইসলামী ফাউন্ডেশন, আইন ও পররাষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করবেন। একই নিয়মে মূল ইংরেজি কপিটাও নোটারি ,আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করবেন। ইংরেজি কপিটা ভিসা নেওয়ার সময় প্রয়োজন হবে।
৩। পাসপোর্ট : পাসপোর্ট এর প্রথমপাতা আরবিতে অনুবাদ ও নোটারি করার পরে একই নিয়মে ইসলামী ফাউন্ডেশন, আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করতে হবে।
৪। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স : এটা নিজ নিজ থানা থেকে সংগ্রহ করবেন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করবেন।
NOTE :
▪️ আমার জানামতে ব্যক্তি উপস্থিত থাকলে কোন মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করতে কোন ফী প্রযোজ্য হয়না।
▪️ইসলামী ফাউন্ডেশন থেকে সত্যায়িত করতে প্রতি পাতা ২০০ টাকার মতো ফী প্রযোজ্য হতে পারে।
▪️ অনুবাদ ও নোটারি করার জন্য ১২০০ টাকার মতো খরচ হতে পারে।
▪️এই ডুকুমেন্ট গুলো চলতি বছরের জন্যে প্রযোজ্য, যেকোন সময় পরিবর্তন হতে পারে
||সঠিক জানুন প্রতারণা থেকে বাঁচুন||
♦️আল আজহারে কোন কোন সাবজেক্টে ভর্তি হতে পারবেন এবং বাংলাদেশীরা কোন সাবজেক্টগুলোতে পড়ে-
আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৬০ এর মত সাবজেক্ট আছে। তারমধ্যে মোট ৫টি বিখ্যাত ইসলামিক সাবজেক্ট আছে এবং এগুলোর মধ্যেও বিষয়ভিত্তিক ভাগ আছে।
১| উসূলুদ্বীন, এখানে ৪টা বিভাগ আছে। যথাঃ- তাফসীর, হাদীস, আকীদাহ ও দাওয়া।
২| শরিয়া ইসলামিয়া, এখানেও ৪টা বিভাগ আছে। যথাঃ- হানাফী, শাফেয়ী, মালেকী ও হান্মবলী ।সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বাংলাদেশী ছাত্র এই ডিপার্টমেন্টে পড়ে, পূর্বেও পড়ত।
৩| আল্লুগাতুল আরাবিয়্যা, এখানে ২ টি বিভাগ আছে।
৪| ইসলামিক স্টাডিজ, এটাতে মোট ৫টা বিভাগ আছে। যথাঃ- তাফসীর, হাদীস, ফিকহ, আল্লুগাতুল আরাবিয়্যা ও আকীদাহ।
৫| ইসলামিক দাওয়া ( যদিও বাংলাদেশী অল্প কিছু সংখ্যক ভাই এই ডিপার্টমেন্টে পড়েছে, তবে চমৎকার একটি সাবজেক্ট। বিশেষ করে যারা দাওয়াতের খেদমত করতে চায়।
৬| কেরাত বিভাগ (বাংলাদেশ থেকে অনেকেই পড়ার জন্য ভর্তি হয়, হয়েছিল, এখনও ২/১ জন ভর্তি আছে। একজন শেষ করতে পারছে এমনটা আজকেই জানতে পারলাম। আমার জানায় কেউ শেষ করতে পারছে কিনা জানা ছিল না)
বাংলাদেশ থেকে যারা পড়তে আসে তাদের সবাই এই সাবজেক্টগুলোর মধ্যেই যে কোন একটাতে পড়ে। এছাড়া অন্য সাবজেক্টে পড়ার ইচ্ছে অনেকেই করেন, তাদের জন্য বলছি- আজহারের অন্য সাবজেক্টে পড়ার জন্য মোয়াদালা নেই, যেমন মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টগুলোতে।
সুতরাং যারা মেডিক্যাল, ফার্মেসি, ইঞ্জিনিয়ারিং, বাণিজ্য ইত্যাদি বিষয়ে পড়তে চান, তারা আল-আযহারে পড়তে আসবেন না। তাদের জন্য কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি স্কলারশিপের মাধ্যমে পড়তে আসাটাই উচিত
||সঠিক জানুন প্রতারণা থেকে বাঁচুন||
আল - আজহারে নিজ খরচে লেখাপড়া :
আসসালামু আলাইকুম,
আজ আমরা মদিনাতুল ইলম খ্যাত ঐতিহাসিক আল আজহার ইউনিভার্সিটিতে নিজ খরচে গ্র্যাজুয়েশন বা পোস্টগ্র্যাজুয়েশন সম্পর্কে আলোচনা করব। এই পোস্টে বিভিন্ন খরচ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা দেওয়া হবে।
প্রথমে বলে রাখি, আল আজহারে যারা নিজ খরচে লেখাপড়া করে তারাও মূলত বলা যায় একটা স্কলারশিপের আওতায় থাকেন, কেননা কাউকে টিউশন ফি দিতে হয়না। শুধু মাত্র আপনার থাকা - খাওয়া বাবদ যেটা খরচ হবে সেটা বহন করবেন। আর খরচের পরিমাণ টাও খুব বেশি নয় , ঢাকা শহরে চলাচলের জন্য আপনার যেমন খরচ হয় ঠিক তেমন।
নিজ খরচে পড়তে প্রতিমাসে বাংলাদেশী টাকায় গুনতে হবে সর্বনিম্ন ১০,০০০ টাকার মতো।
এখন আমরা খরচের বিস্তারিত আলোচনা করব।
বাংলাদেশে থাকতে :
* ভিসার জন্য করত খরচ হতে পারে ১০,০০০ টাকা। [ কিভাবে আবেদন করবেন এবং এম্বাসি থেকে কিভাবে ভিসা নিবেন এই শিরোনামে একটা লেখা গ্রুপ থেকে পড়ে নিতে পারেন ।
* বিমান ভাড়া ৪০,০০০ - ৫০,০০০ । ভাড়া ৪০,০০০ - ৫০,০০০ ।
মিশরে আসার পর:
* প্রথম বছর যেহেতু ,ভাষা ইনিষ্টিটিউডে পড়তে হবে সেকারণে প্রতি লেভেলের জন্য ৪০০০ পাউন্ড অতিরিক্ত খরচ হবে ।
ভাষা ইনিষ্টিটিউডের টোটাল লেভেল ৭ টি।
[ ভাষা ইনিষ্টিটিউড সম্পর্কে আরো একটা লেখা গ্রুপ থেকে পড়ে নিতে পারেন ]
* থাকা -খাওয়া ,অন্যান্য বাবদ ১০০০০ টাকার মতো।
অথ্যাৎ প্রথম বছর প্রতি মাসে গুনতে হবে ১০,০০০ + ভাষা শিক্ষার জন্য অতিরিক্ত ৪০০০ সর্বমোট, ১৪,০০০ টাকার মতো।
অনার্স লেভেল শুরু হলে খরচের পরিমাণটাও কমে আসবে।
* টাকার পরিমাণ ডলার রেটের ওপর পরিবর্তনশীল।
১। দাখিল ও আলিমের মূল সার্টিফিকেট এবং মার্কসিট:
এগুলো অনুবাদ করার পরে প্রথমে নোটারি এরপর শিক্ষা বোর্ড, ইসলামী ফাউন্ডেশন এরপর শিক্ষা মন্ত্রাণালয় ,ও সর্বশেষ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করতে হবে।
২। জন্ম নিবন্ধন : এটার অনলাইন ভেরিফাইড কপি নিজ নিজ উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সংগ্রহ করতে হবে। বাংলা ও ইংরেজি উভয় টাই সংগ্রহ করবেন। এরপর এটা আরবিতে অনুবাদ ও নোটারি করার পরে প্রথমে ইসলামী ফাউন্ডেশন, আইন ও পররাষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করবেন। একই নিয়মে মূল ইংরেজি কপিটাও নোটারি ,আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করবেন। ইংরেজি কপিটা ভিসা নেওয়ার সময় প্রয়োজন হবে।
৩। পাসপোর্ট : পাসপোর্ট এর প্রথমপাতা আরবিতে অনুবাদ ও নোটারি করার পরে একই নিয়মে ইসলামী ফাউন্ডেশন, আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করতে হবে।
৪। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স : এটা নিজ নিজ থানা থেকে সংগ্রহ করবেন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করবেন।
NOTE :
* আমার জানামতে ব্যক্তি উপস্থিত থাকলে কোন মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করতে কোন ফী প্রযোজ্য হয়না।
* ইসলামী ফাউন্ডেশন থেকে সত্যায়িত করতে প্রতি পাতা ২০০ টাকার মতো ফী প্রযোজ্য হতে পারে।
* অনুবাদ ও নোটারি করার জন্য ১২০০ টাকার মতো খরচ হতে পারে।
*এই ডুকুমেন্ট গুলো চলতি বছরের জন্যে প্রযোজ্য, যেকোন সময় পরিবর্তন হতে পারে
[অনুমতি বিহীন গ্রুপের পোস্ট শেয়ার করা কাম্য নয়।]
♦️আমি কেন লোভী, জালিমের বিরুদ্ধে লাগলাম। ওদের ব্যবসা বন্ধ করা কি উদ্দেশ্য? ছাত্রদের উপকার হয় এমন কি করতে পারলাম। গত একমাসের প্রচেষ্টার ফলাফল কি?
▪️উপরের প্রশ্নগুলো পরিচিত অনেকেই করেছেন, বিশেষ করে ছাত্ররা সহজেই, অল্প আর প্রয়োজনীয় টাকার মধ্যেই যেন আসতে পারে এমন কিছু করতেই যদি না পারি এসব করে কার কি লাভ-ক্ষতি করেছি। ছাত্রদের ত সেই তাদের কাছেই যেতে হবে- এই প্রশ্নটি আসতে ইচ্ছুক ছাত্ররা করতেছে বেশি।
◾আজহার নিয়ে গত প্রায় এক মাসের আমার লেখালেখির মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রাইভেট ভাবে আজহারে আসতে চাওয়া ভাইদের লোভী, জালিমদের থেকে সচেতন করা। আর কোন উদ্দেশ্যই ছিল না; এবং এই কাজটি করতে আমি বাধ্য হয়েছি। আমি যেহেতু scholarship.com গ্ৰুপের এডমিন ছিলাম এবং জাহাঙ্গীর একাই এসব করেছে যা আমি সবকিছু জানতেও পারিনি, যখন জেনেছি সবাইকে সচেতন করা নিজের দ্বায়িত্ব মনে করেছি।সেই জন্য গ্ৰুপেই পর পর ৩ টা পোস্ট করেছিলাম
এই কাজ করতে গিয়ে মিশরের দ্বায়িত্বশীল প্রর্যায়ের অনেকের সাথেই কথা বলেছি, অনেকে ফোন দিয়ে সাহস দিয়েছে। প্রতারিত ছাত্ররা নিজে থেকেই সব প্রমাণাদি আমার সাথে যোগাযোগ করে দিয়েছে; আমার কারো কাছে যেতেও হয় নি তেমন। এখন আমার কাছে শুধু জাহাঙ্গীর না আরো যত জালিম আছে সবার নানারকম প্রমাণাদি আছে। ফ্লাস করতে পারি কিন্তু শুভাকাঙ্ক্ষী সবাই কোন ব্যক্তিকে নিয়ে নিজের আইডিতে এসব বলতে অনুসাৎহিত করেছেন। জাহাঙ্গীরের সম্পর্কেও আমি এসব এভাবে বলতাম না; কিন্তু অবস্থা আমাকে বাধ্য করেছে।
▪️ আমি চেষ্টা করেছিলাম ছাত্রদের জন্য ভালো একটি মাধ্যম তৈরি করতে এটা করার জন্য বড়দের সাথে কথা বলেছি, সব সংগঠনের ভাইদের সাথেই কমবেশি; তবে এমন কোন সুন্দর মাধ্যম করা সম্ভব হয় নি, আর মিশরে এসব সম্ভবও নয় এমনই মনে মনে হয়েছে আমার।
◾ কওমী ভাইয়েরাই যেহেতু প্রতারণার প্রধান ভিকটিম তাই- শেষমেষ আমি আশা করেছিলাম করেছিলাম কওমী সংগঠন আজহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নতুন ছাত্র আনতে সুন্দর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। উনারা কি কি করেছে তা আমি ইতিমধ্যে ই বলেছি।
আর অবাক করা ব্যপার কি জানেন কওমী সংগঠনের দ্বায়িত্বশীল প্রর্যায়ের ব্যক্তিই যদি সবচেয়ে বড় জালিম থাকে তবে আর কি বলবো..!
🍁আরো অবাক করা বিষয় হচ্ছে- আমি তাদের এসব নিয়ে লিখার কারণে আমাকে না বলে আমার সংগঠনের দ্বায়িত্বশীদের কাছে বার বার কান্নাকাটি করতেছে। উনাদের বুঝা উচিত যা বলার আমাকে সরাসরি বলবে, অন্যের কথা আমি কেন শুনবো। সংগঠন ত ব্যক্তি কি করবে, কি বলবে সব নির্ধারিত করতে পারে না। এতটাও বুঝার ক্ষমতা ঠিকই আছে কিন্তু সরাসরি আমাকে বলতে পারবে না এজন্যই অন্য কারো কাছে ধর্ণা দেয়।
▪️ আর কারো ব্যবসা বন্ধ করাও আমার উদ্দেশ্য ছিল না, আমি শুধু বলতে চেয়ে ১ টাকা যেখানে লাগে সেখানে ৫ টাকা নিক কিন্তু নিচ্ছে ৫০০০ হাজার এসব তাও নানা ছলে-বলে কৌশলে।
🌿 ছাত্রদের কি উপকার হয়েছে- আমার এই কাজগুলোতে ব্যাপক সাড়া পড়েছে, এই মাধ্যম ঐ মাধ্যম করে আসতে ইচ্ছুক প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী জানতে পারছে কত টাকা লাগে এবং তাদের কত দিতে হবে। কে কত বেশি চাচ্ছে। আসতে ইচ্ছুক ছাত্ররা আমার জন্য দোয়া আর কৃতজ্ঞতার দৃষ্টি ই রাখে, বিশ্বাস করে নানা কিছু জানতে চায়। আমি চেষ্টা করি সবকিছু ই বলে দিতে।
♣️ আজহারে আসতে ইচ্ছুকদের জন্য এমন কিছু করতে পারলাম কিনা যেন সহজেই, অল্পটাকায় প্রতারিত না হয়ে ছাত্ররা আসতে পারে?
সত্যি বলতে আগেও বলেছি এখনো বলছি- আমি পারিনি এবং মিশরে এটা সম্ভবও নয়। এই বিষয়ে আমি প্রায় ১ মাসে অনেকের সাথেই কথা বলেছি, সবাই বলেছে পারলে নিজে হেল্প করো মন্দের বিপরীতে ভালো কিছু যখন প্রচারিত হবে তখন ঐসব প্রতারণা আর ছলচাতুরি টিকবে না।
যদিও আমি নিজে এসবে জড়াতে চাইছিলাম না এবং এটা আমার পেশাও না কিন্তু আসতে ইচ্ছুকদের অনুরোধে এবং এই প্রশ্নের উত্তর উওর দিতে পারছি না যে," আমাদের ভালো কোন মাধ্যম যদি নাই দেখাতে পারবেন তবে কি লাভ হবে"..!
তাই এখন থেকে চেষ্টা করছি যারা সত্যিই পড়াশোনার জন্য'ই আসবে তাদেরকে নিজেই যতটুকু পারি বলে দিতে, কাজগুলো করে দিতে যেন সুন্দরভাবে মিশরে আসতে পারে এবং আমার জন্য দোয়া করে।
🍃 আমার সাথে যোগাযোগের নিয়ম হলো আজহার নিয়ে এ প্রর্যন্ত যতগুলো পোস্ট দিয়েছি সবগুলো পড়ার পর নক দিতে হবে, একটাও যদি না পড়া হয় তবে মেসেজ দিলেই আমি বুঝতে পারবো। যারা পোস্ট পড়বেন না মেসেজ করবেন তাদের বিনিতভাবে বলি আমার সময়ের দাম আছে, আপনারা এসব প্রশ্ন করবেন বলেই আমি সব পোষ্টে বলে রেখেছি। এরপর যদি প্রশ্ন থাকে তবে করবেন সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো।
|| সঠিক জানুন প্রতারণা থেকে বাঁচুন||
♦️আজহারে কি মেয়েরা পড়তে পারে?
▪️জি পড়তে পারে-
আজহারে ছেলে, মেয়ে, কওমী, আলিয়া সহ সবাই পড়তে পারে।
শুধু একেকজনের ভর্তির প্রসেস একেকরকম। আজহারে বিশেষত্ব এটাই যে, আজহার চায় সবার মধ্যে ই দ্বীনের মধ্যমপন্থার জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে। আমাদের সাথে অনেক ক্লাসমেট আছে যাদের বয়স ৪৫+ আফ্রিকার দেশ সুদান, নাইজেরিয়া, মালি প্রভৃতি অঞ্চলের অনেকের ত ২/৩ বউ ৫/৭ সন্তানও আছে।
সুতরাং আপনার বাস্তবতা বিবেচনা করে আপনি যদি আসতে চান আসতে পারেন।
||সঠিক জানুন প্রতারণা থেকে বাঁচুন||
♦️আজহারে আসার জন্য কিভাবে আবেদন করবো? কোন লিংকের মাধ্যমে। নিজে করতে পারবো কিনা, লিংক দেন-
আমি ইতিমধ্যেই উল্লেখ করেছি আজহারে বাংলাদেশিরা দুই ভাবে আসতে পারে:-
১/দেশ থেকে স্কলারশিপ নিয়ে আসা। ১০ জন পায় প্রতিবছর (যদিও এ বছর দেশ থেকে কাউকে আনে নাই) মিশরে এসে প্রাইভেটভাবে যারা ভর্তি হয়েছিল তাদের মধ্য থেকে ৫০ জনকে দিয়েছে।
মাননীয় রাষ্ট্রদূত মহোদয় শাইখুল আজহারের সাথে কথা বলে ২০ থেকে ৫০ জনে উন্নীত করেছেন এবং আশা করা যাচ্ছে ৫০ জন মিশরে অবস্থানরতদের মধ্য থেকেই দিয়ে দিবে। এটা হলে খুব ভালো হয়; দেশের স্কলারশিপের বাছাই ফেয়ার হয় না।
২/ মিশরে টুরিষ্ট, ভিবিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে(মার্কাজে) ভর্তি হয়ে, তাদের থেকে অফার লেটার নিয়ে মিশরে এসে কাগজপত্র জমা দিয়ে আজহারে ভর্তি হওয়া। যেটাকে প্রাইভেট মাধ্যম বলা হচ্ছে, আসলে এটাই আজহারে পড়ার সবচেয়ে কমন মাধ্যম।
এখন সমস্যা হচ্ছে সবাই মনে করতেছেন প্রাইভেটভাবে আসার নির্ধারিত কোন ওয়েবসাইটে বা লিংকের মাধ্যমে আবেদন করলেই চলে আসা যায়।
▪️প্রাইভেটভাবে আসার জন্য সরাসরি এটাকে আবেদন বলা যায় না এজন্যই যে এভাবে আসার জন্য প্রতিষ্ঠিত কোন মাধ্যম সব সময়ের জন্য নেই। একেক সময় একেক পথ, পদ্ধতি অবলম্বন করে ছাত্রদের আনতে হয়।
♦️আমরা যখন আসছিলাম তখন একভাবে আসছি, এখন আরেকভাবে চলছে। এবং এভাবেও ছাত্ররা কতদিন আসতে পারবে সেটা ঠিক বলা যায় না হতে পারে হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে গেছে তখন নতুন কিছু আবার খুজতে হবে।
এখন যে সিষ্টেমে ছাত্রদের আনা হচ্ছে, যাকে পুজি করে অসাধু চক্র ছলে বলে কৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা সেই সিষ্টেম আমি বলে দিতে পারি না, কেননা এতে করে আরো অনেক প্রতারক তৈরী হবে, যাতে করে ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়বে।
বিঃদ্রঃ আর সবচেয়ে বড় কথা হলো বললেও একজন ছাত্র নিজে থেকে সব কিছু করে কারো সাহায্য ছাড়া আসতে পারবে না। কেননা যে প্রসেসিং আছে তার সবটা দেশ থেকে একজন করতে পারে না, ভিবিন্ন মাধ্যম ফলো করতে হয় যেখানে কিছু টাকা পয়সা লাগে সেটাও খুব অল্পই।
আর সাংগঠনিকভাবেও নিষেধ আছে এভাবে সব বলার; আগেই বলেছি প্রতারকের সংখ্যা এভাবে বৃদ্ধি পাবে এজন্য এবং আরো অনেকগুলো কারণ আছে। আমি চাইছিলাম প্রসিডিউর সম্পর্কে বিস্তারিত বলতে কিন্তু উপরোক্ত কারণে, যেহেতু বলেও তেমন লাভ হবে না ছাত্রদের।
আশা করি লিংক চাওয়ার ব্যাপারটি ক্লিয়ার হয়েছে।
💬আর হ্যা আপনাদের মধ্য থেকে যারা আসতে চাচ্ছেন অবশ্যই তারা যোগাযোগ করবেন, সময় সুযোগ অনুযায়ী সর্বোচ্চ সাহায্য করার চেষ্টা করবো। নক দেওয়ার আগে শর্ত হলো আমার পূর্বের পোষ্টগুলো অবশ
#collected from school of scholarship
All credit goes to Mozahidul Islam Vaiya


0 Comments
Thanks