কোনো ধরনের দালাল ছাড়াই ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাস।
ধাপসমূহ:
০২/০৭/২০২৪: বিআরটিএ এর বিএসপি পোর্টালে একাউন্ট খুলে
থেকে আবেদন এবং ফি ৭৪৮/- জমা। ঐদিনই লার্নার লাইসেন্স ইস্যু।
লার্নার লাইসেন্সে পরীক্ষার তারিখ দেওয়া থাকে।
০১/০৯/২০২৪: ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা। প্রথমে
বায়োএনরোলমেন্ট সম্পন্ন করে রিটেন টেস্ট। রিটেন টেস্টে ড্রাইভিং
সম্পর্কিত ২০ টি প্রশ্ন থাকে ২০ নম্বরের, ১২ পেলে পাস। রিটেনের
প্রশ্নব্যাংক বিআরটিএ এর ওয়েবসাইটে পেয়ে যাবেন। ২০ মিনিট পর
রিটেনের রেজাল্ট দেয়। তারপর ভাইবাতে রোড সাইন ও ট্রাফিক
সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে। সাথে সাথেই পাস বা ফেল তা
লিখে দেয়। ৭০% এর মতো পারলে পাস। এ সাইনগুলোও বিআরটিএ
এর ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে। একই দিন ভাইবা পাস করলে ফিল্ড
টেস্ট। ফিল্ড টেস্টে গাড়ি চালাতে দেয়। রিভার্স এনে পার্কিং করলেই
পাস। কেউ রিভার্সে পার্কিং না করতে পারলে ফেইল।
০২/০৯/২০২৪: পাস করার এসএমএস এবং লাইসেন্স ফি ৪৫৫৭/-
জমা। ফি জমা দেওয়ার ৭২ ঘন্টার মধ্যে ই-লাইসেন্স ইস্যু হবে। স্মার্ট
কার্ড পাওয়ার আগ পর্যন্ত ই-লাইসেন্স দিয়ে ড্রাইভ করতে পারবেন।
যারা ফেইল করে তারাই বিআরটিএ এর লোকজনকে ধরে পাস
করার চেষ্টা করে। এতে আমরাই দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছি দালাল
চক্রকে। কেউ ফেল করলে পরবর্তীতে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ
আছে।
৫ বছর আগে এমআরপি পাসপোর্ট করেছিলাম নিজে নিজেই। এখন
রিনিউ করে নতুন ই-পাসপোর্ট করলাম। কোনো দালাল ধরতে হয় নি ৷
মাত্র ৩ কার্যদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট হাতে পেলাম। আপনার কোনো
ইনফরমেশন ভুল না থাকলে বা আপনার নামে কোনো মামলা না
থাকলে আপনাকে পাসপোর্ট দিতে বাধ্য তারা। দালালকে দিয়ে
করালে পাসপোর্টে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। নিজে নিজেই
অনলাইনে আবেদন করুন। অনলাইনে ফি জমা দিন। ১০ বছর
মেয়াদী ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট নিজে করতে মাত্র ৫৭৫০/- খরচ হয়।
দালালকে না বলি, নিজে দুর্নীতি না করি, অন্যকেও দুর্নীতি করার
সুযোগ না দিই।


0 Comments
Thanks