জাফলং, সাদা পাথর, বিছনাকান্দি, লালাখাল — এসব জায়গায় প্রতিবছরই অনেক পর্যটক মারা যান বা নিখোঁজ হন। এটা নতুন কিছু না। কিন্তু অনেক সময় এসব ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হয়, কারণ অনেকে মনে করে এতে পর্যটন স্পটের আকর্ষণ কমে যাবে।
সিলেটে থাকলে একটা জিনিস প্রায়ই শুনবেন, স্থানীয় দোকানদার থেকে শুরু করে যেকোনো বয়সের মানুষ পানিতে নামতে বারণ করে। কারণ তারা জানে, এসব পাহাড়ি নদী দেখতে সুন্দর হলেও খুব বেশি safe না। আগে এসব জায়গায় আরও বেশি দুর্ঘটনা ঘটত, এখন কিছুটা কমেছে, হয়তো সচেতনতা আর আধুনিকতার কারণে।
মানুষ মারা যাওয়ার কিছু সাধারণ কারণ আছে —
প্রথমত, পাহাড়ি নদীর আচরণ মানুষ বুঝতে পারে না। এই নদীগুলো সমতলের নদীর মতো না। পাহাড়ে বৃষ্টি হলে হঠাৎ উজান থেকে ঢল নামে। আপনি হয়তো রোদে বসে ছবি তুলতেছেন, কিন্তু ১০–১৫ কিমি দূরে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। আধাঘন্টার মধ্যেই শান্ত পানি ভয়ংকর হয়ে যেতে পারে। এটা বর্ষাকালে বেশি হয়।
দ্বিতীয়ত, অনেক জায়গায় পাথরের নিচে আলগা বালু বা চোরাবালির মতো অংশ থাকে। উপরে থেকে শক্ত মনে হলেও নিচে নরম থাকে। পা আটকে গেলে পানির চাপ মানুষকে টেনে ধরে। তখন সাঁতার জানলেও অনেক সময় কিছু করার থাকে না।
তৃতীয়ত, নদীর স্রোতের illusion। উপরে দেখে মনে হয় পানি শান্ত, কিন্তু নিচে স্রোত অনেক fast থাকে। মানুষ shallow মনে করে সামনে যায়, পরে হঠাৎ গভীর গর্তে পড়ে যায় বা স্রোতে balance হারায়।
চতুর্থত, overconfidence। অনেকে না বুঝে অনেক দূরে চলে যায়, একা নামে, warning ignore করে। এগুলো risk আরও বাড়িয়ে দেয়।
ভ্রমণে গেলে enjoy করেন, কিন্তু একটু সাবধান থাকেন। স্থানীয়দের warning হালকাভাবে নেবেন না। একটা ছবি বা adventure এর জন্য নিজের life risk এ ফেলার কোনো মানে হয় না।
আল্লাহ সবাইকে হেফাজতে রাখুক। 🤍
©️Collected and Modified

0 Comments
Thanks